SANTHALDISHOM(সানতাল দিশোম)

Thursday, 23 August 2018

উত্তরবঙ্গের আদিবাসী এলাকায় অনুদান ২ কোটি বরাদ্দ করবে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর।


WEDNESDAY, AUGUST 22, 2018

পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠনের গেরোয় আদিবাসী অধ্যুষিত যে সব এলাকার উন্নয়ন থমকে থাকার আশঙ্কা রয়েছে, সেখানে সাময়িকভাবে কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বিডিওদের ২ কোটি টাকা করে বরাদ্দ করবে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর। এই টাকা দেওয়া হবে দফতরের নিজস্ব তহবিল থেকে। উত্তরকন্যা সূত্রের খবর, আর পাঁচটা ব্লক পিছু ১ কোটি টাকা দিলেও আদিবাসীরা যেখানে সংখ্যায় বেশি রয়েছেন, সেখানে তা দ্বিগুণ দেওয়া হবে।
উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেছেন, ‘‘আদিবাসী অধ্যুষিত বেশ কিছু গ্রামে উন্নয়নের কাজে আরও গতি আনা দরকার। যতক্ষণ না পঞ্চায়েত গঠন হচ্ছে, ততক্ষণ বিডিওদের বাড়তি উদ্যোগী হতে হবে। সে জন্য আদিবাসী অধ্যুষিত ব্লকে বাড়তি বরাদ্দ দেওয়া হবে। সেটা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। জেলাশাসকদের মাধ্যমে প্রকল্প পেলেই টাকা পৌঁছে যাবে।”
উত্তরবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহের অন্তত ১১টি ব্লক আদিবাসী অধ্যুষিত। উত্তর দিনাজপুর, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারেও বিস্তীর্ণ এলাকায় আদিবাসীদের বসবাস। গত পঞ্চায়েত ভোটে ওই সব এলাকায় তৃণমূল সর্বত্র ভাল ফল করতে পারেনি। বহু জায়গাতেই আদিবাসীরা মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছেন। বেশ কয়েকটি এলাকায় তৃণমূল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতলেও মামলার জেরে সেখানে বোর্ড গঠন সম্ভব নয়। অথচ সামনে লোকসভা ভোট রয়েছে। ফলে, উন্নয়ন থমকে থাকা নিয়ে বিজেপি-সহ বিরোধী দলগুলি জোর প্রচারে নেমেছে।
আদিবাসী অধ্যুষিত হবিবপুর ব্লকের আকতৈল, বৈদ্যপুর, মঙ্গলপুরা গ্রাম পঞ্চায়েতে পানীয় জলের চরম সমস্যা। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের টাকায় পানীয় জলের জন্য সাব মার্সিবাল পাম্প বসাতে উদ্যোগী হয়েছেন ব্লক প্রশাসনের কর্তারা। হবিবপুরের জেলা পরিষদের সদস্য প্রভাস চৌধুরী বলেন, ‘‘উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর সরাসরি ব্লকে টাকা দেওয়ায় কাজে গতি আসবে।”
বিরোধীরা অবশ্য এখনও সমালোচনা করছেন। দক্ষিণ দিনাজপুরের ঝাড়খণ্ড দিশম পার্টির জেলা সভাপতি বিভূতি টুডু বলেন, ‘‘এ সব সিদ্ধান্তই ভোটের কথা মাথায় রেখে।” তাঁর বক্তব্য, ‘‘বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী আসনে নতুন করে ভোট দরকার। শুধু বিডিও-র মাধ্যমে উন্নয়ন করার চেষ্টা ঠিক নয়। এতে প্রকৃত উন্নয়ন হবে না। জনপ্রতিনিধিরাই শুধু বোঝেন এলাকার সমস্যা কী ও কোন কাজে অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি।”

Wednesday, 22 August 2018

SANTALI , PURULIA ,NAGPURI VIDEO SONG (22/08/2018)

LATEST SANTALI VIDEO SONG 2018 // DULAL RENANG ABCD... // SANTALI LOVE SONG 2018 //  ***

https://www.youtube.com/watch?v=AK3QNG5jQFc

BAHA MALA (BABY1.0)||Official Realese Video Song||RC Music Presents||New Santali Album Song 2018

https://www.youtube.com/watch?v=qEGuGtnKJEE&feature=youtu.be

new santali full video song 2018 | puilu puilu dular full video song 2018

https://youtu.be/f9Xn18ylfkU


UKU UKU TELANG | MULUH KECHA CHANDO | SANTALI FULL VIDEO ALBUM 2018 **


EXCUSE ME A NEW SANTHALI FULL HD VIDEO


JANUM PID JANUM santali film


New Santali Full HD video Album2018/Miss Umulini Hembram&Fulchand Baskey /Song-Dilruba Samjha Karo. ***


New Santali HD vedio(2018) Modern styel tem sajao Ena **


new santali video 2018!! Aam Begor #Aam-begor #lodestarfilmEntertainment  ***



 Rimil Jali Sagai Leka Topol Tahen Dulaldo **


Nahaah Modern Kuri l New HD Santali Video Album Song 2018 ***


  PURULI

New Purulia Video Song 2018#Tor Preme Podechhe#আমার এই অবুঝ মন ***



NAGPURI

Nagpuri Song 2018 - O Meri Jaan | Ajit & Rekha | Singer - Vijay Lohra | Adhunik Sadri Geet 2018



2018 Song Gori Kare He Mor Se Pyar# Singer Gabbu Bhai Ready



Dhire Dhire Pyar Badhana re Selem | धीरे धीरे प्यार | HD Bhojpuri SONG 2017 | RR music **



DIL DEEWANA II NEW NAGPURI SONG II PAWAN ROY NEW NAGPURI SONG II RAMAN GUPTA & ISHA II JOYA SERISE ***



EK NAJAIR DEIKH DELE // एक नजैर दैख देले // HD nagpuri song // Singer Sunil Bediya ****


GHUT GHUT JEENA KYA | घुट घुट जीना क्या | New Nagpuri Song 2017 | RR Music ***




दिवाना II DEEWANA II NEW NAGPURI SONG II PAWAN ROY II ROHIT & TANNU RAJPUT II RK AND AKASH LOHRA **

https://www.youtube.com/watch?v=c6uishdav-E

Watch "💖 LOVE STORY 💖 2018 !! NEW NAGPURI SONG !! SHEKHAR SAHIS & PRITY" ***
https://youtu.be/UWpIT90zAPk

"Dil Hai Deewana Gori Re || नश फाड़ -2 || Nagpuri Hd Video"  **
https://youtu.be/Eg1kKAZMXBI


BANGLADESI

"Nil Noyona | Eleyas Hossain | Nahin Tunajjina Radit | Bangla Hit Songs | Full HD"


















Sunday, 19 August 2018

“ভারত দিশম মাঝি মাডোয়া (BHARAT DISOM MAJHI MADOWA)”-র পক্ষ থেকে শ্রী ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে দাবিপত্র পেশ।




“ভারত দিশম মাঝি মাডোয়া (Bharat Disom Majhi Madowa)”-র পক্ষ থেকে পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রী মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গঠিত আদিবাসী উন্নয়ন কোর কমিটির চেয়ারম্যান সাংসদ শ্রী ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে দাবিপত্র পেশ।
পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রী মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গঠিত আদিবাসী উন্নয়ন কোর কমিটির চেয়ারম্যান শ্রী ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদ (Member of Parliament) এর নিকট আদিবাসী সমাজের বিভিন্ন দাবী দাওয়া পেশ করলেন আদিবাসী সামাজিক সংগঠন “ভারত দিশম মাঝি মাডোয়া (Bharat Disom Majhi Madowa)”। মঙ্গলবার (14.08.2018) কলকাতায় শ্রী ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে এই দাবী দাওয়া পেশ করেন “ভারত দিশম মাঝি মাডোয়া (Bharat Disom Majhi Madowa)”-র কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। “ভারত দিশম মাঝি মাডোয়া (Bharat Disom Majhi Madowa)”-র কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন দিশম মাঝি মাননীয় শ্রী পূর্ণচন্দ্র সরেন মহাশয়, দিশম গোডেৎ মাননীয় শ্রী সলিল মান্ডি মহাশয়, কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মাননীয় শ্রী প্রদীপ কুমার হাঁসদা মহাশয়, কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাননীয় শ্রী কার্ত্তিক হাঁসদা মহাশয়, কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ মাননীয় শ্রী জগন্নাথ সরেন মহাশয়, মহিলা মোর্চার পক্ষে মাননীয়া শ্রীমতি সুমিতা সরেন, ছাত্র-যুব মোর্চার পক্ষে মাননীয় শ্রী হালি হাঁসদা মহাশয়।
“ভারত দিশম মাঝি মাডোয়া (Bharat Disom Majhi Madowa)”-র কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আদিবাসী উন্নয়ন কোর কমিটির চেয়ারম্যান মাননীয় শ্রী ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে আদিবাসী সমাজের বিভিন্ন দাবী দাওয়া নিয়ে বিস্তারিত জানান। বর্তমান সময়ে আদিবাসী সমাজের বিভিন্ন সমস্যার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। সাঁওতালি শিক্ষা ব্যবস্থা, শিক্ষক নিয়োগ, জাল ST Caste Certificate, স্কুল-কলেজে আদিবাসী ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন সমস্যা, প্রভৃতি বিষয়ে “ভারত দিশম মাঝি মাডোয়া (Bharat Disom Majhi Madowa)”-র কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সাংসদ শ্রী ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে অবগত করান। সাংসদ শ্রী ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় মনোযোগ সহকারে “ভারত দিশম মাঝি মাডোয়া (Bharat Disom Majhi Madowa)”-র কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দাবী দাওয়াগুলি শোনেন এবং সেই দাবী দাওয়াগুলি পুরন করার যথাসম্ভব চেষ্টা করবেন বলে আশ্বাস জানান। যে দাবী দাওয়া পুরনে সাংসদ শ্রী ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক্তিয়ারের বাইরে, সেই দাবী দাওয়াগুলি উনি মুখ্যমন্ত্রী মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোচরে আনবেন বলে জানান।

কৃতী আদিবাসীদের সংবর্ধনা করলেন পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।



৯ ই আগস্ট ২০১৮ বিশ্ব আদিবাসী দিবসের মঞ্চে ঝাড়গ্রামে কৃতী আদিবাসীদের সংবর্ধনা করলেন পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

জঙ্গলমহলের কৃতী আদিবাসীদের সংবর্ধনায় রাজনীতিকে দূরে সরিয়ে রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ সাঁওতালি চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী বীরবাহা হাঁসদার হাতে তুলে দিলেন মানপত্র, শাল ও উত্তরীয়। অথচ ২০১৬ সালে বিনপুর বিধানসভা থেকে তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন ঝাড়খণ্ড পার্টি (নরেন) এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রয়াত নরেন হাঁসদার কন্যা বীরবাহা হাঁসদা। কিন্তু এ দিন তাঁকে সংবর্ধনা দিয়ে রাজধর্ম পালনে রাজনীতির ছোঁয়াচ লাগতে দিলেন না মমতা।
কয়েক বছর আগে রাজ্যের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন বিরবাহা। অনুমতি না নিয়ে মুক্তিধারা প্রকল্পের বিজ্ঞাপনে তাঁর ছবি ব্যবহার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছিলেন তিনি। এই নিয়ে জলঘোলা হলেও সরকারি তরফে কেউ মুখ খোলেননি। নব্বইয়ের দশকে পর পর দু’দফায় বিনপুরের বিধায়ক ছিলেন নরেন হাঁসদা। জঙ্গল মহলের আদিবাসী-মুলবাসী মানুষদের কাছে এখন দারুন জনপ্রিয় প্রয়াত ঝাড়খণ্ডী নেতা নরেন হাঁসদা। ১৯৯৯ সালে নরেনবাবু প্রয়াত হওয়ার পরে তাঁর স্ত্রী চুনিবালা হাঁসদাও বিনপুরের বিধায়ক হয়েছিলেন। মায়ের মতো বিরবাহাও সক্রিয় রাজনীতিতে পা রেখেছিলেন। তবে সফল হননি। ২০১১ সালে বিনপুর বিধানসভা নির্বাচনে ঝাড়খণ্ড পার্টি (নরেন) দলের হয়ে দাঁড়িয়ে সিপিএমের কাছে হেরে যান বিরবাহা। ২০১৩ সালে ঝাড়গ্রাম পুরভোটে ঝাড়খণ্ড পার্টি (নরেন) দলের প্রার্থী হয়ে ফের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর পরাজিত হন।
এর আগে মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি জনসভায় ঝাড়গ্রামের বিভিন্ন শিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হলেও ব্রাত্য ছিলেন বিরবাহা। ঝাড়খণ্ড পার্টি (নরেন)-এর বর্তমান সভানেত্রী চুনিবালা হাঁসদার কন্যা বীরবাহা এহেন স্বীকৃতি পেয়ে আপ্লুত। তিনি এ দিন বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী আমাকে সংবর্ধনা দিয়েছেন৷ এর আগে ওডিশা, ঝাড়খণ্ড এবং বাংলাদেশ থেকেও পুরস্কার পেয়েছি৷ এখন নিজের ‘বাড়ি’তে সংবর্ধিত হয়ে বড় ভালো লাগছে৷ আমার রাজনীতির রং ছেড়েই মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার নিয়েছি৷’
সাঁওতালি ভাষার নাটক ‘চেৎ রে চিকেয়েনা’ (কীসে কী হল!) লিখে ২০০৭ সালে সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার পেয়েছেন ঝাড়গ্রাম শহরের বাসিন্দা খেরওয়াল সোরেন৷ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের অবসরপ্রাপ্ত কর্মী খেরওয়াল সরেন এ দিন বেজায় খুশি৷ বললেন, ‘এর আগে রাজ্য সরকারের তরফে সারদাপ্রসাদ কিস্কু ও সাধু রামচাঁদ মুর্মু পুরস্কার পেয়েছি৷ কিন্তু আজকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে সংবর্ধনা পেয়ে আমি আপ্লুত৷ এই স্বীকৃতিই সাঁওতালি ভাষার একজন লেখক হিসেবে আমার কাছে বড় প্রাপ্তি৷ সাঁওতালি সাহিত্যের উপর প্রচুর লেখালেখি করলেও সবটা এখনও প্রকাশ করতে পারিনি৷ সরকার উদ্যোগী হলে সাঁওতালি সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্রে আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছনো যাবে৷ পশ্চিমবঙ্গ সাঁওতালি আকাদেমি থেকে বই প্রকাশনা বিষয়ে সাহায্য করা হলে সুবিধে হয়৷’
শুধু শিল্প-সাহিত্য জগৎ নয়, খেলাধুলার আঙিনাতেও জঙ্গলমহলের কৃতীরা নজর এড়াননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দপাধ্যায়ের৷ যেমন, তিরন্দাজিতে এশিয়া কাপে জয়ী হয়েছেন ঝাড়গ্রাম শহর থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার দূরের নয়াগ্রামের ভালিয়াঘাটি গ্রামের বাসিন্দা সুপর্ণা সিং৷ তাঁকেও এ দিন ঝাড়গ্রাম স্টেডিয়ামের বিশ্ব আদিবাসী দিবসে অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে সংবর্ধনা দেন মমতা৷ ঝাড়গ্রাম জেলার নয়াগ্রামের বড়খাঁকরি জনকল্যাণ বিদ্যালয়ের দ্বাদশ শ্রেণিতে কলা বিভাগের ছাত্রী সুপর্ণা৷ তিনি তাইওয়ানে অনুষ্ঠিত ‘এশিয়া কাপ-২০১৮’ তে ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছিলেন৷ এ দিন সুপর্ণা বলেন, ‘খুব ভালো লাগছে মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে পুরস্কার নিয়ে৷ তিনি বলেছেন ভালো হয়েছে, আরও ভালো করতে হবে৷’ জঙ্গলমহলের ভূমিপুত্র না হলেও, সুপর্ণার সাফল্যের কাণ্ডারি, তাঁর কোচ পি গঙ্গাধরকেও এ দিন সংবর্ধনা দেন মুখ্যমন্ত্রী৷ তাঁর আশ্বাস, এ বার থেকে ব্লকে ব্লকে কৃতী আদিবাসীদের সংবর্ধনা দেওয়ার ব্যবস্থা করবে সরকার।
আদিবাসী শিল্পকলার পৃষ্ঠপোষকতায় মুখ্যমন্ত্রীর আগ্রহ কতটা, এ দিন তার সাক্ষী রইল জঙ্গলমহল৷ এ দিন তিনি বিভিন্ন আদিবাসী পুরুষ ও মহিলাদের ধামসা-মাদল সহ নানা বাদ্যযন্ত্র উপহার দেন৷ পরিষেবা প্রদানের অনুষ্ঠানে দেখা গেল তিন আদিবাসী মহিলা লোকশিল্পীকে বুকে টেনে নিয়ে আলিঙ্গন করলেন মুখ্যমন্ত্রী৷

আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে SC/ST দের সংরক্ষণের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হবে তফশিলি জাতীয় কমিশন৷



আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে তফশিলি জাতি – উপজাতি (SC/ST) দের জন্য আসন সংরক্ষণের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হবে তফশিলি জাতীয় কমিশন৷
আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে দলিতদের তথা তফশিলি জাতি – উপজাতি (SC/ST)-দের জন্য আসন সংরক্ষণের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে চলেছে তফশিলি জাতীয় কমিশন৷ বিশেষ সূত্রের খবর, সংরক্ষণের বিষয়ে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় (Aligarh Muslim University – AMU) কতৃপক্ষ অনড় থাকার কারণেই জাতীয় তফশিলি কমিশনের (National Commission for Schedule Caste) এই সিদ্ধান্ত। আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় নিজেদের সংখ্যালঘু প্রতিষ্ঠান হিসেবে দাবি করলেও তাদের কাছে এই মর্মে কোনও দস্তাবেজ বা কেন্দ্রীয় নথি নেই। শীর্ষ আদালতে দায়ের করা আবেদনে এ কথাই উল্লেখ করবে জাতীয় তফশিলি কমিশন৷ তা ছাড়া, এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতি বছর কেন্দ্রীয় অনুদানও গ্রহণ করে থাকে৷ সেক্ষেত্রে বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের মত আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় কেন তফশিলি জাতি – উপজাতি (SC/ST) জন্য আসন সংরক্ষণ করবে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে জাতীয় তফশিলি কমিশন৷ চলতি মাসেই শীর্ষ আদালতে দায়ের করা হতে পারে এই আবেদন৷ লোকসভা ভোটের আগে জাতীয় তফশিলি কমিশনের এই উদ্যোগকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন শীর্ষ আদালতের আইনজীবীরা৷ এক বর্ষীয়ান আইনজীবীর কথায়, ‘এটা শিক্ষায় গেরুয়াকরণের প্রয়াস মাত্র।’
উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথই প্রথম সোচ্চার হয়েছিলেন আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে তফশিলি জাতি – উপজাতি (SC/ST) সংরক্ষণের বিষয়টি নিয়ে৷ তাঁর যুক্তি ছিল, বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে যদি তফশিলি জাতি – উপজাতি (SC/ST)দের জন্য আলাদা আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকতে পারে, তা হলে জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় বা আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ব্যবস্থা থাকবে না কেন? সেই সুরেই সুর মিলিয়েছে জাতীয় তফশিলি কমিশন৷ সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে জাতীয় তফশিলি কমিশনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেছেন৷ উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তারিক মনসুর৷ দেড় ঘন্টারও বেশি সময় ধরে চলা এই বৈঠকে কোনও ইতিবাচক বার্তা মেলেনি। জাতীয় তফশিলি কমিশনের চাপে নতিস্বীকার করেননি আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও রেজিস্ট্রার৷ জাতীয় তফশিলি কমিশনের তরফে অধ্যক্ষ ও বিজেপি সাংসদ রাম শঙ্কর কাঠেরিয়া আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে সংখ্যালঘু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দাবির স্বপক্ষে কেন্দ্রীয় নথি দেখতে চান৷ সূত্রের খবর, এমন কোনও নথি আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে ছিল না৷ বৈঠকে কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের আধিকারিকরা জানান, তারা ইতিমধ্যেই শীর্ষ আদালতে হলফনামা দিয়ে জানিয়েছেন, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় কোনও ভাবেই সংখ্যালঘু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় পড়ে না৷ এর পরই ওঠে কেন্দ্রীয় অনুদানের প্রশ্ন৷ এই বিশ্ববিদ্যালয় কেন তফশিলি জাতি – উপজাতি (SC/ST)-দের জন্য আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা করবে না, তা নিয়েও বিতর্ক দেখা দেয়৷ এর পরেই বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে যান আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও রেজিস্ট্রার৷
জাতীয় তফশিলি কমিশনের এক আধিকারিকের কথায়, ‘আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আচরণে সকলেই ক্ষুব্ধ৷ গত দশ বছরে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন থেকে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় সাত হাজার কোটি টাকা অনুদান নিয়েছে৷ এখন তফশিলি জাতি – উপজাতি (SC/ST)-দের সংরক্ষণ দিতে আপত্তি কেন? আমাদের অধ্যক্ষ স্থির করেছেন, অবিলম্বে ইউজিসি(UGC)-কে চিঠি লিখে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়কে দেওয়া অনুদান স্থগিত করার কথা জানাবেন৷ দু’সপ্তাহের মধ্যে জাতীয় তফশিলি কমিশনের সব সদস্যদের নিয়ে বিশেষ বৈঠকের ব্যবস্থা করা হচ্ছে৷’

Monday, 6 August 2018

পুরুলিয়ার বান্দোয়ানে ঘুমন্ত অবস্থায় আদিবাসী বৃদ্ধাকে কুপিয়ে খুন।


গত শনিবার ০৪ ই আগস্ট, ২০১৮ পুরুলিয়া জেলার বান্দোয়ানের মাকপালি গ্রামে গভীর রাতে এক আদিবাসী বৃদ্ধাকে বাড়ির মধ্যেই ঘুমন্ত অবস্থায় কুপিয়ে খুনের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। মৃতার নাম কেশরী মুর্মু (৭০)। রবিবার সকালে পুলিস বাড়ি থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করে পুরুলিয়া সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। বৃদ্ধাকে খুনের কারণ নিয়ে ধন্দে রয়েছে পুলিসও।
পুরুলিয়ার পুলিস সুপার আকাশ মাঘারিয়া বলেন, এক বৃদ্ধাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুন করেছে দুষ্কৃতীরা। প্রাথমিক ভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, পারিবারিক বিবাদ বলে মনে হলেও এখনও নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়। সব দিক খতিয়ে দেখছে পুলিস।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কেশরীদেবীর দুই ছেলে। ওইদিন রাতে মাটির বাড়ির বারান্দায় কেশরীদেবী ঘুমোচ্ছিলেন। অন্যদিকে, কেশরীদেবীর বড়ছেলে গিরিজল ও ছোট ছেলে রামপদ মুর্মু পৃথক ঘরে ঘুমিয়েছিলেন। রামপদবাবুর স্ত্রী সুজাতাদেবী আশাকর্মী। সুজাতাদেবী বলেন, কিছুদিন আগে মায়ের শোওয়ার খাটিয়া ভেঙে যাওয়ার পর আর নতুন করে তৈরি করা হয়নি। বাড়ির মেঝেতেই মা ঘুমোতেন। গ্রামের মূল রাস্তার পাশেই আমাদের বাড়ি। ওইদিন রাতে ভাশুরের চিৎকারে ঘুম ভাঙে। তখন রাত প্রায় ১টা। ঘর থেকে বেরিয়ে দেখি, শাশুড়ি মা আর্তনাদ করছেন। এরপর স্বামী ও ভাশুর মাকে তুলে ধরেন। তাঁর মাথায় ও কানের কাছে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল। মুখ দিয়েও রক্ত ঝরছিল। এরপর কিছুক্ষণ পরেই মায়ের মৃত্যু হয়। রাতেই গ্রামের বাসিন্দাদের ও আত্মীয়দের খবর দেওয়া হয়। সুজাতাদেবী আরও বলেন, দু’দিক দিয়ে বাড়িতে ঢোকার দরজা রয়েছে। কিন্তু, দু’দিকই ভিতর থেকে বন্ধ ছিল। এমনকী, ঘটনার পরও ওই দরজাগুলি বন্ধ ছিল। তবে নির্মীয়মাণ পাকা বাড়ির জানালার পাশে রাখা বালিতে একাধিকজনের পায়ের ছাপ রয়েছে। সম্ভবত দুষ্কৃতীরা ওই দিকদিয়েই চম্পট দিয়েছে। কী কারণে মাকে ওরা খুন করল বুঝতে পারছি না। কারও সঙ্গে পারিবারিক বা জমি সংক্রান্ত কোনও বিবাদও নেই। কোনও শত্রুতাও নেই।
মৃতার আত্মীয়া ললিতা বেসরা বলেন, কেশরীদেবী বা তাঁর পরিবারের কারও গ্রামে কোনও বিরোধ জানা নেই। কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না। ওই গ্রামেরই বাসিন্দা রামলাল মুর্মু, রামচন্দ্র হাঁসদা বলেন, পারিবারিক বিবাদের কথাও তেমন জানা নেই। কী জন্য ওই বৃদ্ধাকে খুন হতে হল গোটা পরিবারের সঙ্গে গ্রামবাসীরাও ধন্দে রয়েছে। এদিন ঘটনাস্থলে তদন্তের জন্য আসেন বান্দোয়ান থানার ওসি তাপস দত্ত সহ অনান্য আধিকারিকরা। বান্দোয়ান থানারও পুলিসও খুনের কারণ নিয়ে ধন্দে রয়েছে।

Saturday, 4 August 2018

NEW SANTALI VIDEO SONG(04/08/18)

I Love You (Dular 50-50) New Santhali Video Song 2018

https://www.youtube.com/watch?v=Af03rKvBxyg

New santali video song 2018 rusika kora latest santali video album stv Santhali Video **

https://youtu.be/FQweGh_g5YY

NewUmulini Hembram&Fulchand Baskey /Song-Dilruba Samjha Karo. Santali Full HD video Album2018/Miss **

https://youtu.be/mGEvzkFwV4A

DELA LANG ANGIR CHALA NEW SANTALI HD OFFICIAL VIDEO SONG.2018, **

https://youtu.be/HPv4VGb9e8Y

Aam Saon Puilu Njepel I Santali Full Music Video Album I Creative BANA Studio  **

https://youtu.be/qRdWcm19GfY

MAYA GATE | New Santali Video Song 2018 | Official Full Song | RC Music **

https://youtu.be/XQH0V2wl7fk

Uyhar miyang gida sara din santali video 2018  **

https://youtu.be/PFR-zahCVcE

TIP TIP BARSA PANI NEW SANTALI VIDEO SONG 2018 || BOBY SINGH || ANGARAI PRODUCTION  **(Audio)

https://youtu.be/6tYGwkjc8Kc

RASCA AWARD @Song no-3||Santali song | Santali records HD **(Stage Dance)

https://youtu.be/mZ2ivVnITTs

NAINA SE TOR (adivasi Video Album) by Riten Karmakar **

https://youtu.be/hscb6qs9-aQ

Chhilkaw-III | Song-Sanging Disam Pera | Singer-Rupali Murmu |Actor/Singer-Bablu Tudu **

https://youtu.be/NdB9z8J-Mds


ALBUM SANGAT AAM GE Song Mone Do Mone Do Full Video 2018 **


JURI//SARI SARI//NEW SANTHALI FILM VIDEO SONG 2018/ BISWAS TUDU/PINKI HANSDA **


Idi Manj Idi Meya Gaati | Dilip Hembrom, Madhuri Dey | New Santhali Music Video 2018 | Johar TV ***


Rajdhani College Kuli I Santali Music Video ***


E- GOLOM 20-20 SANTALI FULL HD VIDEO_HAHALA DHARTI_SUNDAR & PORAYNI_2018  ***


DJ DABUNG Album song number 03 HAPE HAPE HD VIDEO SONG singer GOURI TUDU **

https://www.youtube.com/watch?v=BxmeLV29qhI

Chhilkaw 4.0 Full Video || KIIT || Bhubaneswar(Programme)

https://www.youtube.com/watch?v=lJd4CR3vDnE

Um Tara Tupu Tara New Santali Video Md/Rs Presents 24/06/2018

https://www.youtube.com/watch?v=H909cY7zGVA

Gel Turuy... **

https://www.youtube.com/watch?v=DdvvA-8XDQ4

Hapi Hapi Tedo//New Santali Album"SISU GATEY"Song,2018//Marang Baa Productions **

https://www.youtube.com/watch?v=qKnctSehb0w


HELEM HELEM GAATE ROR TAM NEW SANTALI FULL HD MUSIC VIDEO 2018 || HOPON & RINA NEW JODI ***

https://www.youtube.com/watch?v=rDyfVA13Nfs

New Santali album 2018 | NISHA NISHA | SATHI & CHARAN | TIRIYO MUSIC

https://www.youtube.com/watch?v=IhGa6BNL5QI

New Santali Video Song Whatsapp Bali Full HD 2018 Copyright Reserved **

https://www.youtube.com/watch?v=HGi875RD0js

A SAJNI// DEEPAK HEMBROM// NEW SANTHALI VIDEO SONG ***

https://www.youtube.com/watch?v=brnz6rKZTaQ

A SANTHALI MOVIE SONG ETANG SARI OF FILM GAATE **

https://www.youtube.com/watch?v=9Ru8H6NVEUU

SANTALI NEW PROMO VIDEO 2018, HENDE RIMIL ORIGINAL TITLE VIDEO SONG ,

 (STUDIO VERSION.) ***

https://www.youtube.com/watch?v=gzIQYwRM2t0

New Santali Video Song 2018 | Monere Aam Menama Gaati | Film-SIRF AAM | Johar TV ***

https://www.youtube.com/watch?v=mKLMN5wQ7JM

NEW SANTALI HD VIDEO SONG 2018||सारी सारी लायमें दुल़ार NEW SANTALI TV  (Audio)

https://www.youtube.com/watch?v=7uez3z8AoLw

BANG BANG TEGE || NEW OFFICIAL SANTALI FULL HD VIDEO SONG || E KUYLI SANTALI ALBUM 2018 ***

https://www.youtube.com/watch?v=4-tstYgvFcI

Kuchi umar uku katha||NEW SANTALI FULL HD VIDEO||NEW SANTALI TV (Audio)

https://www.youtube.com/watch?v=2jri25TQnGM

HENDE RIMIL UNAW ME / LOW BATTERY / A NEW SANTALI ROMANTIC FULL VIDEO SONG HD 2018/ ABHISHEK & SILI ***

https://www.youtube.com/watch?v=B267UydikHw

Sangat Amm Ge Song Tehenj Nepel Ropor Full Video 2018

https://www.youtube.com/watch?v=rmghEKOjiRY

College kuri | Santhali Album | Coming Soon | full audio song | 2018 | 1080p (Audio)

https://www.youtube.com/watch?v=qrnVF0X3xX0


https://www.youtube.com/watch?v=O4JrDrL2iUk






























নাবালিকার বিয়ে রুখবে ‘মা লক্ষ্মী’ সরকারী প্রকল্প।

নাবালিকার বিয়ে রুখবে ‘মা লক্ষ্মী’৷ না, ইনি কোনও দেবী নন৷ ২০১৬ সালে চালু পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের এক প্রকল্পের নাম৷ অরণ্য সপ্তাহে গাছ লাগানোর পাশাপাশি নাবালিকার বিয়ে রুখতে পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর-২ নম্বর ব্লকের দাওয়াই হল এই ‘মা লক্ষ্মী’ প্রকল্প৷ এই প্রকল্পে গাছ সংরক্ষণের জন্য মাসে মাসে আর্থিক অনুদান পাবে দুঃস্থ নাবালিকার পরিবার৷ আর সেই গাছ বড় হওয়ার পর বিক্রি করে দেওয়া হবে এককালীন অনুদান৷ এই অভিনব প্রকল্প চালু হয়েছে পটাশপুর ২ নম্বর ব্লকে৷
পটাশপুরের ব্লকের পক্ষ থেকে সরকারি জায়গা চিহ্নিত করে বন দফতরের সহযোগিতায় সেখানে গাছ লাগানো হবে৷ ওই গাছগুলি রক্ষণাবেক্ষণের জন্যে এলাকার দুঃস্থ ছাত্রীদের শনাক্ত করে তাদের মায়েদের নিয়োগ করা হবে৷ প্রত্যেক মাসে গাছ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য মায়েরা মাথাপিছু দু’হাজার টাকা করে পাবেন৷ সেই সঙ্গে গাছ বড় হলে ব্লক বা পঞ্চায়েত সমিতি সেই গাছ বিক্রি করে যে টাকা রোজগার করবে, তা থেকে আড়াই হাজার টাকা ওই মায়েদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া হবে৷ কিন্তু শর্ত একটাই, এই সময়কালের মধ্যে নাবালিকা মেয়েকে বিয়ে দেওয়া যাবে না এবং লেখাপড়াও বন্ধ করা যাবে না৷ আর যদি তা করা হয় তাহলে এই দুই অনুদান থেকেই বঞ্চিত হবেন গাছ পরিচর্যার কাজে নিযুক্ত মহিলারা৷
নতুন এই প্রকল্পের মাধ্যমে এক ঢিলে দুই পাখি মারল প্রশাসন৷ এর ফলে একদিকে যেমন পরিবেশ রক্ষার কাজ অগ্রসর হবে, অন্যদিকে নাবালিকার বিয়ে বন্ধ করাতেও কার্যকর হবে৷ পটাশপুরের তৎকালীন বিডিও শুভজিৎ কুণ্ডু বলেন, গাছ লাগানো ও নাবালিকা বিয়ে বন্ধ করাটা আমাদের দায়িত্ব৷ কিন্তু আর্থিক পরিকাঠামোর অভাবে প্রায়ই নাবালিকাদের বিয়ের ঘটনা ঘটছে৷ তাই গাছ বাঁচানোর পাশাপাশি কীভাবে নাবালিকাদের বিয়ে বন্ধ করা যায় সেই চিন্তা থেকেই এই প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে৷ পটাশপুর দু’নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির তৎকালীন সভাপতি চন্দন সাউ জানান, নাবালিকার বিয়ের খবর পেয়ে ব্লক প্রশাসন ও পুলিশ গিয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেয়৷ তাতে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় পরিবার৷ আবার অনেক ক্ষেত্রে জানতে না পারায় নাবালিকার বিয়েও হয়ে যায়৷ তাই বিয়ে দেওয়ার আগেই পরিবারকে সতর্ক করতে ও দুঃস্থ পরিবারগুলির রোজগার বাড়াতে এমন একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে৷ সেইসঙ্গে বনসৃজনে লাগানো গাছও সুরক্ষিত থাকবে৷

তপশিলী জাতি–উপজাতি অত্যাচার নিরোধক আইন সংশোধন রুখতে বিজেপি জোট সরকারের শরিকরা সরব।

তপশিলী জাতি–উপজাতি অত্যাচার নিরোধক আইন (SC/ST Attrocity Act) সংশোধন রুখতে বিজেপি জোট সরকারের শরিকরা সরব।
তপশিলী জাতি–উপজাতি অত্যাচার নিরোধক আইন (SC/ST Attrocity Act) নিয়ে মোদী সরকারের ওপর চাপ আরও বাড়ল৷ দলের সাংসদ উদিত রাজ আগামী ৯ অগস্টের বিক্ষোভকে সফল করতে উঠেপড়ে লেগেছেন৷ সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে দলের দলিত মন্ত্রীদের ‘পরগাছা’ পর্যন্ত বলেছেন তিনি৷ এর থেকেই স্পষ্ট বিজেপির দলিত সাংসদদের, বিশেষ করে উদিত রাজের মনোভাব। এর পাশাপাশি শরিকি চাপও বেড়েছে৷ রামবিলাস পাসোয়ান সরকারকে চরমসীমা বেঁধে দিয়ে বলেছিলেন, ৭ অগস্টের মধ্যে পুরনো তপশিলী জাতি–উপজাতি অত্যাচার নিরোধক আইন (SC/ST Attrocity Act)-কে পুনর্বহাল করতে হবে৷ নীতীশ কুমারের জেডিইউ সেই দাবি সমর্থন করেছে৷ এই অবস্থায় বিজেপির তরফে বলা হচ্ছে, লোকসভার অধিবেশন শেষ হলে তপশিলী জাতি–উপজাতি অত্যাচার নিরোধক আইন (SC/ST Attrocity Act)-কে লঘু করা রুখতে অর্ডিন্যান্স জারি করা হবে৷ তখন আর ক্ষোভ-বিক্ষোভ থাকবে না৷
কিন্তু ঘটনা হল, সংসদের বাদল অধিবেশন ১০ অগস্ট পর্যন্ত চালু থাকবে৷ অর্ডিন্যান্স আনতে গেলে তার পর আনতে হবে৷ কারণ, সংসদের অধিবেশন চালু থাকলে অর্ডিন্যান্স আনা যায় না৷ সংসদ চালু না থাকলে খুব দরকারি বিষয়ে অর্ডিন্যান্স আনা যায়৷ পরে সংসদ বসলে বিল এনে তা পাশ করাতে হয়৷ এখন যে প্রশ্নটা উঠছে, তা হল, সুপ্রিম কোর্টের রায় এসেছিল মার্চের শেষে৷ তারপর এপ্রিল, মে, জুন-তিন মাস হাতে পেয়েছিল সরকার৷ তা হলে বাদল অধিবেশনে কেন বিল আনা হল না? দ্বিতীয় প্রশ্ন, যিনি এই রায় দিয়েছিলেন, সেই বিচারপতি আদর্শ গোয়েলকে কেন অবসরের ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই জাতীয় গ্রিন ট্রাইবুন্যালের প্রধান হিসাবে নিয়োগ করা হল?
এই শেষ সিদ্ধান্ত নিয়েও বিজেপি জোট সরকারের দলিত নেতা উদিত রাজ থেকে রামবিলাস পাসোয়ান সকলেই প্রশ্ন তুলছেন৷ এই সিদ্ধান্ত দলিতদের মধ্যে মোটেই ভালো বার্তা দেয়নি৷ দেশের প্রতিটি রাজ্যেই কমবেশি দলিত ও আদিবাসী ভোট রয়েছে৷ তার মধ্যে বেশি রয়েছে উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, ছত্তিসগড়, ঝাড়খণ্ড, ওডিশা, গুজরাট, রাজস্থানে৷ সেই সব রাজ্যেই এই দুই কারণে দলিতরা ক্ষুব্ধ৷ একেই দলিতদের ওপর অত্যাচারের ঘটনা নিয়ে দেশ মাঝে মধ্যেই উত্তাল হয়৷ তার ওপর তপশিলী জাতি–উপজাতি অত্যাচার নিরোধক আইন (SC/ST Attrocity Act)-কে লঘু করার অভিযোগ যুক্ত হয়েছে৷ প্রাত্তন বিচারপতি আদর্শ গোয়েলের নিয়োগ সেই সমস্যাকে আরও বাড়িয়েছে৷ বিজেপিতেই এখন সবচেয়ে বেশি দলিত ও আদিবাসী সাংসদ রয়েছেন৷ তাঁরা প্রত্যেকেই চাপটা অনুভব করছেন৷ উদিত রাজের মতো কেউ কেউ প্রকাশ্যে ক্ষোভটা জানাচ্ছেন৷ অন্যরা প্রকাশ্যে ক্ষোভ না জানালেও দলের কাছে বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছেন৷ উদিত রাজ যেমন সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তিনি দলিতদের কথা এ ভাবে বলতে পারছেন, এটা বিজেপির পক্ষে ভালো৷ এটা দলকে সাহায্য করছে৷ যদি সকলেই চুপ থাকতেন, তাতে দলের ক্ষতি হত৷ কংগ্রসের সময় দলিত নেতারা সরকারের কড়া সমালোচনা করতেন৷ তাই এত বছর ধরে দলিতরা কংগ্রেসের সঙ্গে রয়েছেন৷ তিনি বরং সেফটি ভালভের কাজ করেছেন৷ দলিতরা মনে করছেন, বিজেপিতে অন্তত একজন আছেন, যিনি তাঁদের জন্য লড়ছেন৷ দলও তাঁকে জায়গা দিচ্ছে৷ দরজা বন্ধ করে দিচ্ছে না৷
কিন্তু এর পরই বিচারপতি গোয়েলকে নিয়ে উদিত রাজ বলেন, তাঁর মানসিকতাই দলিত-বিরোধী ও সংরক্ষণ-বিরোধী৷ তিনি এমন একটা পদে রয়েছেন, যেখানে থেকে তিনি ক্ষতি করতে পারবেন৷ জাতীয় গ্রিন ট্রাইবুন্যালের প্রধান হিসাবে তিনি আদিবাসীদের ক্ষতি করতে পারেন৷ এই ধরনের ব্যক্তিকে গ্রিন ট্রাইবুন্যালের প্রধান হওয়ার অনুমতি দেওয়া উচিত নয়৷
এই কথাগুলো নিঃসন্দেহে মোদী-শাহের পক্ষে অস্বস্তির কারণ। এভাবেই চাপ বাড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন উদিতের মতন সরকারপন্থী দলিত নেতা মন্ত্রীরা৷
এই দিকে শিবসেনার পর এ বারে বিজেপির সঙ্গত্যাগের হুঁশিয়ারি দিয়ে দিলেন রামবিলাস পাসোয়ানও। আর এনডিএ-শরিকদের অসন্তোষে সুরে মেলাল রাহুল গাঁধীর দলও। কয়েক দিন ধরেই রামবিলাস পাসোয়ানও দাবি করে আসছেন, তপশিলী জাতি–উপজাতি অত্যাচার নিরোধক আইন (SC/ST Attrocity Act) লঘু করা যাবে না। সরকারকে অধ্যাদেশ আনতে হবে। আর সুপ্রিম কোর্টের যে প্রাক্তন বিচারপতি আদর্শ গোয়েলের বেঞ্চ এই আইনকে লঘু করেছিলেন, অবসরের দিনই তাঁকে উপহার দেওয়া হয়েছিল জাতীয় গ্রিন ট্রাইবুনালের চেয়ারম্যান পদ। সেই পদ থেকেও তাঁকে সরাতে হবে। রামবিলাসের পুত্র চিরাগ ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখে অসন্তোষ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সরকার দাবি না মানলে আগামী ৯ অগস্ট দলিতদের আন্দোলনে তাঁরাও সামিল হবেন। মানুষ ও সরকারের মধ্যে বাছতে হলে জনতার পাশেই থাকবেন।
সঙ্গে সঙ্গে কংগ্রেস মন্তব্য করে, ‘‘যাক, সুমতি হয়েছে!’’ কংগ্রেসের নেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে দলিতদের অসন্তোষ নিয়ে লোকসভায় সরব হয়েছিলেন। গ্রিন ট্রাইবুনাল থেকে বিচারপতি আদর্শ গোয়েলের অপসারণও চেয়েছেন। শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে আগেই ‘একলা-চলো’র ঘোষণা করেছেন। অমিত শাহের মধ্যস্থতায়ও বরফ গলেনি। বরং অমিত শাহ এখন দলকে একা লড়ার প্রস্তুতি নিতে বলছেন।
সুত্র – আনন্দবাজার পত্রিকা ও এই সময়।

আদিবাসী উন্নয়ন ও আত্মপরিচয়।

লিখেছেন – এদেলশাঙ্কা হাঁসদা।
পশ্চিমবঙ্গের জঙ্গলমহলে উদ্ভূত অদ্ভুত এক রাজনৈতিক সমীকরণ যা শাসকদল সহ কম বেশী যারা এই সব বিষয়ে মাথা ঘামান সকলেই বুঝতে পারছেন। খেরওয়াল সমাজে এই নিয়ে এক আলোড়ন চলছে। এই আলোড়নটা দরকার। বদ্ধ পুকুরের জল যেমন এক স্থানে থেকে পচে যায়, আগাছায় ভরে যায়, পাঁক জমে, তেমনেই মনে হয় যে কোনো সমাজ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কারণে তার নিজের দ্বারা সৃষ্টি গন্ডির মধ্য আবদ্ধ হয়ে থেকে থাকলেও তার মধ্যেও পঙ্কিলতার সৃষ্টি হয়। যদিও আমরা খেরওয়াল সমাজ তথা সাঁওতাল সমাজ কে বা সাঁওতালি ভাষাভাষী মানুষ দের এই ভাবে ভাবতে পারি না। কারণ গ্রামাঞ্চল ছেড়ে ছোট বড় নানান শহরে এখন অনেক সাঁওতালি ভাষাভাষী মানুষের বসবাস গড়ে উঠেছে যা একটা উন্নয়নের মাপকাঠি। পরিসংখ্যান ভিত্তিতে যদিও এর কোনো নথি নেই, যা এখন খুব দরকার। এর ফলে বলা যায় সাঁওতাল তথা খেরওয়াল সমাজ বরাবর পঙ্কিলতার মধ্যে আবদ্ধ থেকেছে বা নতূন কোনো ধারণা কে গ্রহন করেনি বা গ্লোবালাইজেশন এর প্রভাব এর উপর পড়ে নি তা কিন্তু নয়। কিন্তু এই আন্তর্জাতিকতার ঢেউয়ের মধ্যেও এতদিন খেরওয়াল সমাজ নিজেদের বৈশিষ্ট্য পরিচিতি আত্মপরিচয় কে এখনো পর্যন্ত বিলিয়ে দেয় নি, ভূলে যায় নি। কিন্তু ভারতবর্ষ যত বেশি আধুনিকতার দিকে যাচ্ছে, উন্নয়নের মাধ্যমে উন্নত দেশে হবার লক্ষ্যে অগ্রসর হচ্ছে তত বেশি খেরওয়াল আত্মপরিচয় সংকুচিত হয়ে আসছে। সাঁওতাল আত্মপরিচয় ধীরে ধীরে বিলীয়মান। আজ শহরবাসী খেরওয়াল সাঁওতাল তার সত্তা কে ভুলে “মূল স্রোতে” মিশে যাবার পথে। সেই সুত্রে ধরে বরাবর, পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিনবঙ্গে খেরওয়ালদের মধ্যে দুটি বিষয় সব সময় পরস্পরের বিপরীতে অবস্থান করেছে। এক উন্নয়ন, দুই আত্মপরিচয়।
স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উন্নয়নের যে রুপরেখা তা খেরওয়ালদের পরিচয় কে স্বীকার করে নয়, অস্বীকার করে। খেরওয়াল বৈশিষ্ট্য কে বজায় রেখে নয়, দলন করে অবজ্ঞা করে। ফলে উন্নয়নের যজ্ঞে সামিল হয়েও নিজেদের শেকড় থেকে বিচ্ছিন্ন হবার সম্ভাবনা প্রবল ছিলো, যা এখন বাস্তবে দেখা দিচ্ছে। সেই কারনেই এই লেখাটি পর্যন্ত বাংলায় লিখতে হচ্ছে। যেখনে এটি সাঁওতালিতে লেখার কথা। কারন পশ্চিমবঙ্গের শহরাঞ্চলে নতুন প্রজন্মের সাঁওতালি যুবক যুবতীরা বর্তমানে সাঁওতালি ভাষার থেকেও বাংলা ভাষাতে বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করেন। শহরাঞ্চলে অ-খেরওয়ালী জাতিয়তাবাদ এতো বেশি প্রকট যে খেরওয়াল জনগোষ্ঠী তাদের আত্মপরিচয়কেই হারিয়ে যেতে বসেছে। নিজের মাতৃভাষা আজ সাঁওতালি থেকে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা, হিন্দি, ওড়িয়া হয়েছে। ফলে নিজেদের আত্মপরিচয় নিয়ে বেঁচে থাকার মতো মানসিক দৃড়তা হারিয়ে ফেলছে খেরওয়াল জনগোষ্ঠী। নিজেই এখন নিজের আসল পরিচয় কে ভয় পায়। যার ফলে খেরওয়াল আজ পরিচয়হীন।
সত্যি কথা বলতে খেরওয়াল তথা সাঁওতালরা “নিজের দেশ” এর সুযোগ সুবিধা ও মাহাত্ম্য এখনো বুঝতে পারে নি। নিজের “ভাষাভিত্তিক রাজ্যের” মর্ম খেরওয়াল সাঁওতাল বুঝতে এখনো পারেনি। অবশ্য ইতিহাস বলে যে, পশ্চিমবঙ্গে যখন ঝাড়খণ্ডী ভাবধারার আন্দোলন চলেছে ঝাড়খণ্ড রাজ্য গঠনের মাধ্যমে নিজস্ব সাংস্কৃতিক ও ভাষিক সত্বা কে পরিপূর্ণতার সঙ্গে বিকশিত করার জন্য; সেই সময় পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল CPI(M) এই ঝাড়খণ্ডী আন্দোলনের ঘোর বিরোধীতা করে। এবং এ কথা মনে রাখা দরকার CPI(M) সমর্থিত সাঁওতালরা তখন কিন্তু বেশ সক্রিয় ভূমিকায় ছিলেন। এই কথা পশ্চিমবঙ্গে বসে আমাদের বার বার স্মরণ করা উচিত। নিজেদের আত্মসমালোচনা করা উচিত। আজ আমরা কেন সেই সব মানুষদের কুম্ভীরাশ্রু দেখে বিগলিত হব? তারাই আজ এই ঝাড়খণ্ডী জাতিয়তাবাদী ভাবাবেগে তাদের রাজনৈতিক রুটি সেঁকতে ব্যস্ত।
পশ্চিমবঙ্গে খেরওয়াল সাঁওতালদের বর্তমানে যা পরিস্থিতি, এটি হবারেই ছিলো। যে জাতি নিজের স্বজাতির রাজ্যর মর্ম না বুঝে উন্নয়নের নেশায় লাল ঝান্ডা ধরে স্বজাতির বিরোধীতা করেছে সেই পাপের প্রায়শ্চিত্ব এত সহজে হবে কি করে??
খেরওয়াল সাঁওতালদের ওপর বাঙালি হেজিমনিক প্রভাব যা এখন আরো বেশি মাত্রায় প্রকট হয়ে উঠছে তা ছিল সময়ের অপেক্ষা মাত্র। বাম শাসন আমলে এই বিষয় গুলিকে দাবিয়ে রাখা হতো কারন তারা ছিলো অনেক চতুর ও এই সম্পর্কিত তথ্যাদি প্রকাশের ঘোরতর বিরোধী। এখন তা ক্রমশ প্রকাশ্যে। কারন বর্তমান শাসক দল খেরওয়াল আদিবাসীদের সেই ভাবে Manipulation করতে পারে নি। অবাকের বিষয় এটাই যে দক্ষিণবঙ্গের সংস্কৃতি কখনোই বাঙ্গালী সংস্কৃতি নয়। এবং তা বুঝেও খেরওয়াল সাঁওতালদের তখন বুর্জোয়া প্রলেতারিয়েত এর গোলোক ধাঁধায় ঘুরিয়ে তাদের আত্মপরিচয়কেই অস্বীকার করা হয়েছে। তার ফল এখন ভুগতে হচ্ছে সাঁওতালদের।
আর ভুগতে হবেই। “কারণ বাংলায় যারা শাসন করেন (কংগ্রেস, বাম, বা তৃণমূল) তারা সাঁওতাল ও সাঁওতালি ভাষা কে করুণার চোখে দেখেন। যখন সাঁওতালি ভাষা সংবিধানের অষ্টম তফশিলে অন্তর্ভুক্ত হল তখন বামপন্থীরা জোরে জোরে প্রচার করলেন যে তাঁরা এই অন্তর্ভুক্তির পক্ষে লোকসভায় সংগ্রাম করেছেন। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে সাঁওতাল-মুন্ডারি-কুরুখ ভাষার প্রসারে তাঁদের ভূমিকা কতটুকু? একসময় তো তাঁরা দাবি করতেন যে তাঁরা ‘অলচিকি ভাষা’ কে স্বীকৃতি দিয়েছেন”(রাজনীতির এক জীবন: সন্তোষ রাণা) কিন্তু এখন তো আমরা বুঝতে পারছি যে তা ছিলো সম্পূর্ণ এক ভাঁওতাবাজি। এখনো একই ট্রাডিশন চলছে। শাসকের পরিবর্তন হয় কিন্তু শোষণের পরিবর্তন হয় না।
তাই সংবিধান স্বীকৃত ভাষা হওয়া সত্বেও সাঁওতালি ভাষার বিকাশ নেই। সাঁওতালি ভাষায় শিক্ষা ব্যবস্থা নেই। এবং তা পাবার জন্য এখনো SI, DI অফিস ঘেরাও করতে হয়, তালা লাগাতে হয়। বর্তমানে মাঝি পারগানা মহল এই সমস্ত ঘেরাও কর্মসূচি গ্রহণ করেন। কিন্তু মহল থেকেও এই সমস্যার প্রকৃত প্রতিকার সম্পর্কে পরিষ্কার কোনো ধারনা পাওয়া যায় না। আন্দোলনের রুপরেখা কি হবে, নির্দিষ্ট লক্ষ্য কি তা এখনো পর্যন্ত সাধারণ মানুষের কাছে ধোঁয়াশা পূর্ণ। এই মূহুর্তে সব থকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন খেরওয়াল সাঁওতাল কি ভাবছে তার ভবিষ্যত নিয়ে?? উন্নয়নের পাশাপাশি আত্মপরিচয় কি তারা বজায় রাখতে পারবে? উন্নয়নের ধরণ ও রুপরেখা কি হলে খেরওয়াল সাঁওতালদের আত্মপরিচয় জীবিত থাকবে??
সংরক্ষণের ললিপপ নিয়ে তারা উন্নতি করে সাঁওতালি ভাষা কৃষ্টি নিজের আত্মপরিচয় ভুলে শহুরে বাঙালি-সাঁওতাল এ পরিনত হবে না কি তারা তাদের ভাষাভিত্তিক সাংস্কৃতিক সত্তা কে বজায় রেখে নিজের আত্মপরিচয় বাঁচানোর জন্য লড়াই করবে?? প্রথম সম্ভাবনা টি ইতিমধ্যেই অনেকটাই সফল। কারন আজ সাঁওতাল নব্য প্রজন্ম তার সাঁওতালি ভাষা ভুলে যাচ্ছে। ভুলিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বাংলা সংস্কৃতির আগ্রাসনে আজ তামাম সাঁওতাল বাঙালি হবার জন্যে উঠে পড়ে লেগেছে। যা সাঁওতালি ভাষা ও জাতির ক্ষেত্রে এক অভিশাপ বয়ে নিয়ে আসছে। এবং এই কাজ যাতে আরো সহজ হয় তাই Tribal ও Non- Tribal দের মধ্যে বিবাহ হলে সরকার থেকে ভর্তুকি টাকা দেবার ব্যবস্থা আছে। অর্থাৎ জাতিগত সত্তা কে মিশিয়ে দেবার প্রচেষ্টা আছে, ভাষিক বৈশিষ্ট্য কে দমন ও দলন করে চলা হচ্ছে কিন্তু এই সাঁওতালি ভাষা পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানোর ব্যবস্থা করা যাচ্ছে না। সামান্য প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলিতেও না। আর সাঁওতালি ভাষা পড়ানোর ক্ষেত্রে এতো আঞ্চলিকতা কেন?? বাংলা ভাষায় পড়ানো সমস্ত খেরওয়াল সাঁওতাল অঞ্চলে চলতে পারে কিন্তু সাঁওতালি ভাষায় পড়ানো পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে চলতে পারে না। শুধু মাত্র সাঁওতাল অধ্যুষিত অঞ্চলেই পড়ানো হবে কেন? এ থেকে বোঝা যায় বর্তমান শাসক দল তো শুধু মাত্র তার পূর্বসূরির পদাঙ্ক অনুসরণ করছে।
এই চলমান বাস্তবতা কবে বুঝবে শিক্ষিত সাঁওতাল সম্প্রদায়?? এই বিচ্ছিন্নতা সুপ্ত আছে গভীর গোপনে। সাঁওতালি জাতিসত্তা ভুলতে বসা, ভাষা ভুলতে বসা, সংস্কৃতি ভুলতে বসা সেই সব সাঁওতালগণ, সচেতন হও। এগিয়ে আসুন। জাতিয়তাবাদের জন্ম হয় নিজের মাতৃভাষা থেকে। সংস্কৃতি থেকে। আত্মপরিচয় হীন মানুষের উন্নয়ন হলেও তার অস্তিত্ব বিপন্ন হয়। উন্নয়নের ডঙ্কা বাজিয়ে CPI(M) একবার সাঁওতালদের আত্মপরিচয়ের অধিকার কে ধ্বংস করেছে এখনো সেই একি লাইনে শাসকদল চলেছে।
পশ্চিমবঙ্গে বর্তমান শাসক দল খেরওয়াল আদিবাসীদের প্রতি একটি স্টিরোটাইপ ধারণা পোষন করে চলেছে যা বামপন্থী আমলের তৈরী করা। সাঁওতাল মানেই 2 টাকা কেজি চাল খেয়ে বেঁচে থাকা মানুষ, সাঁওতাল মানেই পূব খাটা (নামাল খাটা) সস্তা লেবার। সাঁওতাল মানেই “মহুলিয়া ভাকু খাইয়ে” পড়ে থাকা মানুষ। এদের ভাষা সংস্কৃতি ও জাতিয়তাবাদের কোনো মূল্য নেই। যদিও নাম মাত্র ভাষা স্বীকৃতি বর্তমান সরকারেরই দেন কিন্তু তার প্রয়োগ বিশ বাঁও জলে।
খেরওয়াল সাঁওতাল জাতীয়তাবাদ ধ্বংসের মূলে আমরা সাঁওতালরাই আগে থেকেই আগে আগে। আবার বলি, এই প্রবণতার শুরু সেই বামফ্রন্ট আমলে। কারণ,”1986 সালে যখন দক্ষিণ বিহার, পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিমাঞ্চল, উড়িষ্যার কয়েকটি জেলা এবং মধ্যপ্রদেশের কিছু জেলা নিয়ে পৃথক ঝাড়খণ্ড রাজ্য গঠনের আন্দোলন শুরু হয়, তখন পশ্চিমবঙ্গে সরকারি ক্ষমতায় আসীন বামপন্থীরা বিশেষত CPI(M) তীব্রভাবে বিরোধীতা করে। তারা এই আন্দোলনকে বিচ্ছিন্নতাবাদী বলে নিন্দা করে। যে এলাকাগুলি নিয়ে এই ঝাড়খণ্ড রাজ্য গঠনের আন্দোলন চলছিল সেই আদিবাসী প্রধান এলাকাগুলিতে ছিল একটি সাধারণ সংস্কৃতি যা বাংলা, বিহার উড়িষ্যা বা মধ্যপ্রদেশের সংস্কৃতি থেকে আলাদা। পৃথক রাজ্য গঠিত হলেই যে ওই পশ্চাদপদ এলাকার সব সমস্যা সমাধান হয়ে যেত তা নয়, কিন্তু ভারতের গণতন্ত্রের প্রসারের জন্য এই পদক্ষেপ কাঙ্খিত ছিল। যে কারণে 1958 সালে বাঙালিরা বাংলা-বিহার সংযুক্তিকরণের প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছিলেন, সেই একি কারণে ঝাড়খণ্ড সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রের মানুষেরা আলাদা রাজ্য চাইছিলেন।”(রাজনীতির এক জীবন: সন্তোষ রাণা)
ঝাড়খণ্ডী মানসিকতা, ঝাড়খণ্ডী ভাবধারাই একমাত্র পথ যা খেরওয়াল সাঁওতালদের উন্নয়ন ও অস্তিত্ব দুটোকেই বজায় রাখতে পারবে। এখন প্রশ্ন জাগতেই পারে ঝাড়খণ্ডী ভাবধারা কি? এককথায় ঝাড়খণ্ডী ভাবধারা হলো নিজের আত্মপরিচয়ের বহিঃপ্রকাশ। ঝাড়খণ্ডী ভাবধারা হলো ঝাড়খণ্ডী জাতিয়তাবাদ। খেরওয়াল সাঁওতাল জাতীয়তাবাদ। জাহের থানে বঙ্গা বুরু প্রার্থনাকারী জাতির জাতীয়তাবাদ। যা আজ পশ্চিমবঙ্গে বিলীন।
সুতরাং খেরওয়াল সাঁওতাল ভাবো এখন। কি করবে? মাতৃভাষায় শিক্ষা যে মুখের মোয়া নয় এবং সেই পূরানো আপ্ত বাক্য “Land less culture does not survive” তা এখন হাড়ে হাড়ে বুঝতে পারছেন তো ?? শরশয্যায় শায়িত খেরওয়াল সাঁওতালের পশ্চিমবঙ্গে ভবিষ্যত কি, কেউ জানেনা।
তাই এখন দাবাং ঝাড়খণ্ডী ভাবধারার আন্দোলন না হলে খেরওয়াল সাঁওতালদের আত্মপরিচয় বিস্তৃতির অতলে তলিয়ে যাবে। পশ্চিমবঙ্গের অন্যান জেলার মতো জঙ্গলমহলেও সাঁওতাল হারিয়ে যাবে। সেই সময় প্রায় আগত। কারণ খেরওয়াল সাঁওতালদের পাশাপাশি বসবাসরত অপর একটি জনগোষ্ঠী তফশিলি উপজাতির পরিচয় পেতে হন্যে হয়ে আছে এবং তা যদি সফল হয় তাহলে সাঁওতাল জাতি কে খড়ের গাদায় সূঁচ খোঁজার মতো খুঁজতে হবে।
ডিসক্লেমার: লেখকের মতামত সম্পূর্ণ ব্যাক্তিগত।

Tuesday, 31 July 2018

উত্তমকুমার অভিনীত সবকটি ছবির নাম দিয়ে লেখা পত্রখানি সত্যিই সুন্দর সৃষ্টি(সংগৃহীত)


উত্তম কুমার স্মরনে

*“প্রিয়তমা” “বিপাশা”*
                           
        *“সবার উপরে”* তোমাকে দিলাম আমার *“রক্ততিলক”* *“অভিনন্দন”*। *“অন্নপূর্ণার মন্দির”*এ *“বিকালে ভোরের ফুল”* কুড়োতে গিয়ে আমি  *“হারানো সুর”* খুঁজে পেলাম। *“প্রিয় বান্ধবী”* যেদিন *“অপরিচিত”* আমরা প্রথম মন *“দেয়া নেওয়া”*র *“অগ্নিপরীক্ষা”*য় *“উত্তীর্ণ”* হলাম সেদিন আমাদের *“নবজন্ম”* হলো। *“শুকসারী”* আমাদের *“আলোর ঠিকানা”*য় পৌঁছে দিল। আমাদের এতদিনের *“জীবন জিঞ্জাসা”*র *"রৌদ্র ছায়া”*য় মিলেমিশে একাকার হয়ে গেল। তারপর *“মন নিয়ে”* খেলতে খেলতে তুমি একদিন *“পরিনীতা”* হলে *“রাজ নন্দীনি”*র মতো। *“ওগো বড় মানুষের মেয়ে”* *“ধন্যি মেয়ে”* তুমি, তারপর *“নায়িকার ভুমিকায়”* অভিনয় করে অনেকের *“মনহরন”* করলে। *“শুধু একটি বছর”* তারপর *“চিরন্তন”* নিয়মের মতোই *“অগ্নিসাক্ষী”* করে তোমার বিয়ে হলো *“শিউলি বাড়ী”* তে, তবে এই *“কলঙ্কিত নায়ক”* এর সাথে নয়, আমার *“পুরাতন বন্ধু”* *“শ্রীকান্ত”*র সাথে।  *“শেষ অঙ্কে”* আমার *“পথে হলো দেরী”*। ততক্ষনে তুমি *“সূয’তোরন”* পেরিয়ে চলে গেছো *“গলি থেকে রাজপথে”*, *“সমাধান”* হলো *“সাহেব বিবি গোলাম”* এর *“বাঘ বন্ধী খেলা”* । *“তোমার বিরহে”* *“ওগো বধূ সুন্দরী”* আমি  *“দেবদাস”* এর মতো সুরাপান  করে *“অমানুষ”* হয়ে গেছি।  শেষ হলো আমার *“তাসের ঘর”*এ *“রাজা সাজার খেলা”* । মাঝে  মাঝে মনে হয় *“সাথীহারা”* আমি  *“সন্যাসী রাজা”* হয়ে *“সদানন্দের মেলা”* চলে যাই। *“কাল  তুমি আলেয়া”* হয়ে এসেছিলে *“ছোটিসি মুলাকাত”* করতে আমার *“এখানে পিঞ্জর”* এ। একদিন ভাবলাম *“মায়ামৃগ”* এর মতো *“ছদ্মবেশী”* সেজে তোমার  কাছে যাই, তোমাদের *“চৌরঙ্গী”* র *“আনন্দ  আশ্রম”*এ একগোছা  *“রাতের রজনীগন্ধা”* নিয়ে  তোমার *“সেই চোখ”* দেখতে । কিন্তু তুমি এখন *“বিচারক”* *“শ্রীকান্ত”* র  *“স্ত্রী”* তাই *“বড় দিদি”* আমায়  নিষেধ করলো তোমার *“শঙ্খ বেলা”*র   *“উত্তরায়ণ”*এ আমার *“বিলম্বিত লয়”* মানবেনা তাই।  *“হাত বাড়ালেই বন্ধু”* অনেক পাওয়া যায় কিন্তু *“ওরা থাকে ওধারে”* । বন্ধু  *“অগ্নীশ্বর”* এর  সাথে *“জীবন মৃত্যু”* উপেক্ষা করে *“এন্টনী ফিরিঙ্গী”* র মতো *“মরূতীর্থ হিংলাজ”* যাবার ইচ্ছা আছে। এই *“ছিন্নপত্র”* এ আমি *“বন পলাশির পদাবলী”* লিখছি না।  শুধু তোমার আমার *“দুই পৃথিবী”*র *“ব্যবধান”* টুকু জানালাম। *“অভয়ের বিয়ে”* তে *“সব্যসাচী”*  *“বসু পরিবার”* এর *“সাগরিকা”* কে বিয়ে করার প্রস্তাব  দিয়েছিল। কিন্তু আমার এ জীবনে *“শাপমোচন”* করার ক্ষমতা সাগরিকার মতো কোন *“ব্রতচারিনী” “রাজকুমারী”* র নেই।  সেদিন *“চিড়িয়াখানা”* হয়ে *“লাল পাথর”* এর *“সপ্তপদী”* মন্দির দর্শন করলাম। ওখানেই *“ঝিন্দের বন্দী” “সাত নম্বর কয়েদী” “সাড়ে চুয়াত্তর”* বছরের *“রাজদ্রোহী” “রাইকমল”* এর সাথে *“কমললতা”* কে দেখলাম। *“বিভাস”* বলল ওর  *“স্ত্রী"  “ইন্দ্রানী”* খুব অসুস্থ । তোমাকেই *“চিরদিনের”* ভেবে এখনো তোমার স্মৃতিতে *“দ্বীপ জ্বেলে যাই”*। *“কলঙ্কিনী কঙ্কাবতী”* তুমি *“শিল্পী”* হলে বুঝতে আমার মতো *“তন্দ্রাহীন” “নায়ক”* এর ব্যাথা।
                  বিদায়  ইতি
            *“কলঙ্কিত নায়ক”*
                  *“চন্দ্রনাথ”*

বীরভূম জেলার সিউড়িতে স্বাধীনতা সংগ্রামী বাজাল এর নামে মেলা

 বীরভূম জেলার সিউড়ির বড়বাগানের আব্দারপুর ফুটবল ময়দানে আয়োজিত হতে চলেছে ‘বীরবান্টা বাজাল মেলা-২০১৯’। ১৯শে জানুয়ারি এই মেলা আয়োজিত...